পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ায় শুক্রবার এক মসজিদে প্রার্থনার সময় বিস্ফোরণ হয়। সে দেশের সংবাদমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিস্ফোরণে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে পুলিশ। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫০ জন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
পাক সংবাদমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিস্ফোরণ হয়েছে কোহাট পুলিশ লাইনসের কাছে একটি মসজিদে। রেসকিউ ১১২২-এর প্রধান বিলাল আহমেদ ফৈজী জানিয়েছেন, প্রার্থনার জন্য অনেক মানুষ হাজির হয়েছিলেন মসজিদে। প্রার্থনা শুরু হতেই জোরালো বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে মসজিদ। এই বিস্ফোরণে মসজিদের একাংশ ধসে যায়। স্থানীয়েরাই প্রথমে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে পুলিশ এবং উদ্ধারকারী দল এসে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মসজিদের বাইরে একটি গাড়ি অপেক্ষা করছিল। সেই গাড়িটিই সোজা মসজিদে ঢুকে পড়ে। তার পরই বিস্ফোরণ হয়। সন্দেহ করা হচ্ছে, গাড়িতে বিস্ফোরক ভর্তি ছিল। তবে পাখতুনখোয়া পুলিশের আইজি জুলফিকার হমীদ জানিয়েছেন, প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। তবে বিস্ফোরণের কারণ সেটিই কি না, তা পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। আইজি জুলফিকার জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পরই একদল সশস্ত্র জঙ্গি গুলি চালাতে শুরু করে। পাল্টা জবাব দেয় পুলিশও। তার পরই জঙ্গিরা পালিয়ে যায়। এই হামলার দায় এখনও স্বীকার করেনি কোনও জঙ্গি সংগঠন।
পাক সংবাদমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিস্ফোরণ হয়েছে কোহাট পুলিশ লাইনসের কাছে একটি মসজিদে। রেসকিউ ১১২২-এর প্রধান বিলাল আহমেদ ফৈজী জানিয়েছেন, প্রার্থনার জন্য অনেক মানুষ হাজির হয়েছিলেন মসজিদে। প্রার্থনা শুরু হতেই জোরালো বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে মসজিদ। এই বিস্ফোরণে মসজিদের একাংশ ধসে যায়। স্থানীয়েরাই প্রথমে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে পুলিশ এবং উদ্ধারকারী দল এসে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মসজিদের বাইরে একটি গাড়ি অপেক্ষা করছিল। সেই গাড়িটিই সোজা মসজিদে ঢুকে পড়ে। তার পরই বিস্ফোরণ হয়। সন্দেহ করা হচ্ছে, গাড়িতে বিস্ফোরক ভর্তি ছিল। তবে পাখতুনখোয়া পুলিশের আইজি জুলফিকার হমীদ জানিয়েছেন, প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। তবে বিস্ফোরণের কারণ সেটিই কি না, তা পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। আইজি জুলফিকার জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পরই একদল সশস্ত্র জঙ্গি গুলি চালাতে শুরু করে। পাল্টা জবাব দেয় পুলিশও। তার পরই জঙ্গিরা পালিয়ে যায়। এই হামলার দায় এখনও স্বীকার করেনি কোনও জঙ্গি সংগঠন।
আন্তজার্তিক ডেস্ক